নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় থাকেন রফিকুল ইসলাম (৩২)। গার্মেন্টস কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ কর েন। মাসিক বেতন ভালোই, কিন্তু সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে সঞ্চয় প্রায় থাকেই না। বন্ধুর কাছ থেকে 666c এর কথা শুনে কৌতূহলবশত অ্যাকাউন্ট খোলেন।
প্রথম সপ্তাহে মাত্র ৳৫০০ জমা দিয়ে শুরু করেন। ছোট ছোট বেট করে প্ল্যাটফর্মটা বোঝার চেষ্টা করেন। 666c এর বেটিং টিপস সেকশন নিয়মিত পড়তেন এবং ইন-প্লে বেটিংয়ের কৌশল রপ্ত করেন।
তৃতীয় সপ্তাহে BPL-এর একটি ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বনাম ঢাকা ডমিনেটর্সের খেলা চলছিল। রফিক ভাই লাইভ স্ট্রিম দেখছিলেন 666c তে। ১৫তম ওভারে ঢাকার স্কোর ছিল ১১৫/৩ — পিচ স্লো, ব্যাটার নতুন। তিনি অনুমান করলেন শেষ ৫ ওভারে রান কম হবে। ইন-প্লে তে আন্ডার মার্কেটে ৳৮,০০০ বেট করলেন।
শেষ পাঁচ ওভারে সত্যিই ঢাকা মাত্র ৩৪ রান তুলতে পারে। রফিক ভাইয়ের বেট সফল। ৳৮,০০০ থেকে ফেরত পান ৳১৫,৩৬০। সেই রাতে একই কৌশলে আরও দুটি বেট করেন। মোট জয় দাঁড়ায় ৳৮৫,০০০-এর বেশি। উত্তোলন করতে মাত্র ২০ মিনিট লেগেছিল — বিকাশে সরাসরি চলে এসেছে।
রফিকের কৌশল থেকে যা শেখার
রফিক ভাইয়ের সাফল্যের পেছনে তিনটি বিষয় কাজ করেছে। প্রথমত, তিনি লাইভ ম্যাচ নিজে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন — অন্যের কথায় নয়। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি বেটে নিজের মোট ব্যালেন্সের ১০%-এর বেশি রাখেননি। তৃতীয়ত, 666c এর ইন-প্লে ইন্টারফেসটা ভালো করে বোঝার পর তবেই বড় বেট করেছেন।